০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০:৪৯

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি

এক বিয়ের দুই কাবিন করিয়ে শ্রীঘরে কাজী

এক বিয়ের দুই কাবিন করিয়ে শ্রীঘরে কাজী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২২:৩৭

নীলফামারী সদর উপজেলায় একটি বিয়ের বিপরীতে দুটি ভিন্ন কাবিননামা সরবরাহ করে জালিয়াতির অভিযোগে আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ নামে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী এই আদেশ দেন। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ সদর উপজেলার ১০ নম্বর কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের ছাইদুল ইসলামের মেয়ে মেরি আক্তারের বিয়ে হয়। ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে সম্পন্ন হলেও দাম্পত্য জীবনে তাঁদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে স্বামী রমজান আলী তাঁর স্ত্রী মেরির কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি করা টাকা দিতে না পারায় মেরির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হলে তিনি কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতে মামলা করেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমের সময় বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষই আদালতে কাবিননামা দাখিল করেন। তবে একই বিয়ের বিপরীতে দুটি ভিন্ন কাবিননামা জমা পড়ায় আদালতের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে পর্যালোচনা শেষে কাজী আব্দুল মজিদের সরবরাহ করা কাবিননামা ভিন্ন ও ত্রুটিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়। 

জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় আদালত কাজীকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন। তিনি বলেন, একই বিয়ের বিপরীতে দুই ধরনের কাবিননামা দিয়ে কাজী আইন লঙ্ঘন করেছেন। বিষয়টি জালিয়াতি মনে হওয়ায় বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন