০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭:৫৪

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

যে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়নি

যে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়নি

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২:০৪

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সারা দেশে শ্রদ্ধা আর পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে শহীদ মিনার। তবে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা গেছে। নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন হলেও পৌর এলাকার আক্কেলপুর রেলস্টেশনের পূর্ব পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কেউ শ্রদ্ধা জানাতে যাননি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেখা যায়, জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনারটি। বেদিতে নেই কোনো ফুল বা শ্রদ্ধাঞ্জলি। ভেতরে কাপড় ও গোবরের ঘুঁটে শুকাতে দিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রাঙ্গণ অপরিচ্ছন্ন, দেয়াল বিবর্ণ ও ভাঙাচোরা।

জানা গেছে, ২০১১ সালে রেলের জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক বাবলু এবং একই বছরের ১ জুলাই উদ্বোধন করেন বরেণ্য ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন। সর্বশেষ গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ওই শহীদ মিনারে প্রশাসনিক ও স্থানীয়ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছিল।

স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শহীদ মিনার শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। এমন একটি দিনে সেখানে একটি ফুলও না পড়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া প্রাঙ্গণে অধিকাংশ দিন সন্ধ্যার পর জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য আব্দুর রউফ মাজেদ বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার জন্যই শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কেউ শ্রদ্ধা নিবেদন না করায় শহীদ মিনারটিকে অবমাননা করা হয়েছে।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজেন্দ্র প্রসাদ আগরওয়ালা বলেন, ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যানের উদ্যোগে শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়। প্রতি বছর মাতৃভাষা দিবসসহ জাতীয় দিবসগুলোতে এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হতো। এ বছর উপজেলা প্রশাসন সবার সম্মতিতে সরকারি মুজিবর রহমান কলেজ মাঠের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। তবে যেকোনো শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা না জানানো দুঃখজনক।’

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পূর্বে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজনদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি মুজিবর রহমান আক্কেলপুরী কলেজের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত বলেন, ‘সবার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সরকারি মুজিবর রহমান আক্কেলপুরী কলেজের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।’ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কেউ শ্রদ্ধা না জানানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।


 

আরও পড়ুন