০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৯:০০

শিরোনাম
২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ
শিরোনাম
২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

সামরিক চাপের পর সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র, অবস্থান বদলায়নি ইরান

সামরিক চাপের পর সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র, অবস্থান বদলায়নি ইরান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ জুন, ২০২৬, ১৭:২৬

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের মুখে কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনার পর অন্তর্বর্তী সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই সমঝোতা যুদ্ধবিরতির পথ খুলে দিলেও দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের স্থায়ী সমাধান করবে না।

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত আরোপিত অবরোধ তুলে নিতে পারে। বিনিময়ে দেশটি সীমিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা বিদেশে আটকে থাকা কিছু সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে। অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ইরানের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি সমঝোতা চায়, যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরা যাবে। তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তেহরানের অবস্থানে পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ডেনিস রসের মতে, সামরিকভাবে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এলেও কৌশলগতভাবে মৌলিক কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি। তাঁর ভাষায়, সংঘাতের মূল কারণগুলো এখনো বহাল রয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সম্ভাব্য চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সচল রাখা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখা। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তির ভিত্তি নয়; বরং একটি সাময়িক সমঝোতা।

এদিকে সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। তাঁদের মতে, যুদ্ধের এই অধ্যায় হয়তো শেষের দিকে, কিন্তু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গভীর বৈরিতার অবসান এখনো দূরের বিষয়।

আরও পড়ুন