১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০১:৫৩

শিরোনাম
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি গণমাধ্যমকে তোষামোদ ছাড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক
শিরোনাম
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি গণমাধ্যমকে তোষামোদ ছাড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক

চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুন, ২০২৬, ১৬:২৫

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।

ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে হাসপাতালটির পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক ছটফট করতে করতে একে একে মারা যায়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

ঘটনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও অপ্রতুল ও অনিয়মিত ছিল।

তদন্তে আরও উঠে আসে, ঘটনার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক ওয়ার্ডে উপস্থিত ছিলেন না এবং গুরুতর অবস্থার পরও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল এবং তাদের বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজন ছিল না। তবে পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি।

এছাড়া হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির বিষয়ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন