১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৩:১৭

শিরোনাম
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি গণমাধ্যমকে তোষামোদ ছাড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক
শিরোনাম
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি গণমাধ্যমকে তোষামোদ ছাড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ঢাকার ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক

দুই দেশের মাঝখানে অনিশ্চিত জীবন, খোলা আকাশের নিচে কাটছে ৯ জনের রাত

দুই দেশের মাঝখানে অনিশ্চিত জীবন, খোলা আকাশের নিচে কাটছে ৯ জনের রাত

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৬, ০১:৪৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখায় মানবিক সংকটের মুখে পড়েছেন একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট ৯ জন মানুষ। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া ও ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলেও সীমান্তরক্ষীদের বাধার কারণে তারা এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে অবস্থান করছেন।

সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতিতে রয়েছে দুই শিশু। পাঁচ মাস বয়সী ফাহিমা খাতুন এবং চার বছরের ফাতেমা খাতুন তীব্র গরম ও কষ্টে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছে। শিশুদের এই অসহায় অবস্থা দেখে তাদের মা সুমি খাতুনও দিশেহারা। একদিকে সন্তানদের ক্ষুধা, অন্যদিকে খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত অবস্থান—সব মিলিয়ে পরিবারের সদস্যরা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।

শিশুদের রোদ থেকে বাঁচাতে পরিবারের সদস্যরা নিজেদের পরনের কাপড় ব্যবহার করে অস্থায়ী ছায়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন। সামান্য সেই আশ্রয়েই কিছুটা স্বস্তি খুঁজে নেয় তারা।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত হন। পরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান বের হয়নি। ফলে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা মানুষগুলোর অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে।

একদিকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিজ নিজ অবস্থানে রয়েছে, অন্যদিকে মানবিক সংকটে দিন পার করছেন এসব মানুষ। বিশেষ করে শিশুদের দুর্ভোগ উপস্থিত সবার মন ছুঁয়ে গেছে। রাষ্ট্রীয় সীমারেখা ও প্রশাসনিক জটিলতার মাঝে সবচেয়ে বেশি ভুগছে নিষ্পাপ শিশুরাই।

সন্ধ্যা নামার পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। দ্বিতীয় দিনের মতো খোলা আকাশের নিচেই রাত কাটাতে হয়েছে তাদের। এ সময় মানবিক কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেন।

সীমান্তের এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকটের সবচেয়ে বড় মূল্য অনেক সময় সাধারণ মানুষকেই দিতে হয়।

আরও পড়ুন