১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:৪৯

শিরোনাম
জেডআরএফ’র উদ্যোগে ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে দিনব্যাপী কর্মসূচি ফল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল, বদলি হলেন ১২ কর্মকর্তা সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী
শিরোনাম
জেডআরএফ’র উদ্যোগে ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে দিনব্যাপী কর্মসূচি ফল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল, বদলি হলেন ১২ কর্মকর্তা সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা প্রস্তাব

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৬, ২৩:৩২

উপসাগরীয় অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাঁচ দফা উদ্যোগ প্রস্তাব করেছে চীন ও পাকিস্তান। বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই যৌথ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

বৈঠকে দুই নেতা বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং সংঘাত নিরসনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের বদলে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। সিনহুয়া পরিবেশিত খবরের ভিত্তিতে চীন ও পাকিস্তানের প্রস্তাবিত পাঁচ দফা উদ্যোগগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি: দুই দেশ অবিলম্বে সব ধরনের সংঘাত বন্ধ এবং যুদ্ধের বিস্তার রোধে জোর দিয়েছে। একইসাথে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানানো হয়।

২. দ্রুত শান্তি আলোচনা: ইরানসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব সংলাপ শুরু করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৩. বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: বেসামরিক জনগণ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা পুরোপুরি বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়।

৪. সমুদ্রপথের নিরাপত্তা: বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখার আহ্বান জানায় দুই দেশ।

৫. জাতিসংঘের ভূমিকা জোরদার: জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চীন ও পাকিস্তানের এই উদ্যোগে সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপ, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন