২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ০৪:৫৭

শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী
শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

৪০ দিনের ধ্বংসযজ্ঞে ইরানের ক্ষতি ১৮ লক্ষ কোটি টাকা

৪০ দিনের ধ্বংসযজ্ঞে ইরানের ক্ষতি ১৮ লক্ষ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:২৩

গত ৪০ দিনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্মিলিত হামলায় ইরানে ধ্বংসযজ্ঞের এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের বরাতে আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, এই সময়ে ইরানের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকার সমান। ইরানের বেসামরিক ও সামরিক—উভয় খাতের অবকাঠামোই এই হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ড জানিয়েছেন, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানের ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ আবাসিক বাড়ি রয়েছে, যার বড় একটি অংশ এখন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এছাড়াও ২৩ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বাদ পড়েনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও; ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮৫৭টি স্কুল এই ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এমনকি রেডক্রসের ২০টি নিজস্ব অবকাঠামোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ইরানের সামরিক সক্ষমতাতেও বড় আঘাত হেনেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের চারটি প্রধান ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদন কেন্দ্র— খোজির, পারচিন, হাকিমিয়েহ এবং শারাউদ— হামলায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি ২৯টি মিসাইল উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ৫টি জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও বিমানবন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন