১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৩:৫৯

শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার
শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার

ফুটবল ইতিহাসের অজেয় জুটি: পেলে এবং মানে গারিঞ্চা

ফুটবল ইতিহাসের অজেয় জুটি: পেলে এবং মানে গারিঞ্চা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬, ২২:৫৮

ফুটবল বিশ্বের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর ও অবিশ্বাস্য অ্যাটাকিং ডুয়ো ছিলেন ব্রাজিলের পেলে এবং মানে গারিঞ্চা। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে মাঠ কাঁপিয়েছেন এই দুই কিংবদন্তি। ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে চমৎকার ও রোমাঞ্চকর এক রেকর্ড জড়িয়ে আছে এই জুটির নামের পাশে—পেলে এবং গারিঞ্চা একসঙ্গে মাঠে স্টার্ট করেছেন, এমন কোনো ম্যাচ ব্রাজিল কখনো হারেনি। প্রায় এক দশক ধরে চলা এই ‘আনবিটেবল স্ট্রিক’ আজ পর্যন্ত ফুটবলের ইতিহাসে কেউ ভাঙতে পারেনি, আর হয়তো কখনো পারবেও না।

১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপে ট্রফি ধরে রাখার মিশনে নামে ব্রাজিল। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরুতেই পেলে ইনজুরিতে পড়লে বড় ধাক্কা খায় সেলেসাওরা। ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন মানে গারিঞ্চা। পুরো টুর্নামেন্টে একক নৈপুণ্যে দলকে টেনে নিয়ে যান তিনি। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই অতিমানবীয় ‘ওয়ান ম্যান শো’ ক্যাম্পেইনের সমকক্ষ—কিংবা তার চেয়েও সেরা কোনো একক বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স যদি থেকে থাকে, তবে সেটি ১৯৬২ বিশ্বকাপে গারিঞ্চার এই রূপকথার মতো পারফরম্যান্স।

টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে আবারও পেলের ইনজুরি এবং দলের অফফর্মের কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল। এই বিশ্বকাপের পরই গারিঞ্চা আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ব্রাজিলের জার্সিতে পুরো ক্যারিয়ারে অফিসিয়াল ম্যাচে মাত্র ২ বার হারের মুখ দেখেছিলেন এই মহানায়ক।

১৯৭০ সালের আগের ফুটবল ইতিহাসের নিখুঁত অফিসিয়াল ডেটাবেজ বা আধুনিক স্ট্যাটস ট্র্যাকিং সিস্টেম না থাকলেও, গারিঞ্চাকে ফুটবল ইতিহাসের ‘সর্বকালের সেরা ড্রিবলার’ (Greatest Ever Dribbler) হিসেবে গণ্য করা হয়। আন-অফিসিয়াল স্ট্যাটস ও ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, বিশ্বকাপের একটি একক ক্যাম্পেইনে তার চেয়ে বেশি সফল ড্রিবলিং আর কোনো ফুটবলার করতে পারেননি। নিজের বাঁকা পা আর অবিশ্বাস্য গতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নাচিয়ে ছাড়তেন তিনি।

​পেলে যদি হন ফুটবলের ‘রাজা’, তবে গারিঞ্চা ছিলেন ব্রাজিলের ফুটবল রোমান্টিকতার সেই ‘আনসাং হিরো’, যিনি পেলেবিহীন ব্রাজিলকেও বিশ্বজয়ের স্বাদ এনে দিয়েছিলেন একার কাঁধে।

আরও পড়ুন