০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৩০

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের তালা খুলে দিলেন বিএনপি নেতা

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের তালা খুলে দিলেন বিএনপি নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:৫৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একটি তালাবদ্ধ কার্যালয় খুলে দিয়েছেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি কার্যালয়টির তালা খুলে দেন এবং সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগ কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেট এবং মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের উপস্থিতিতে আবু দাউদ প্রধান কার্যালয়টি উন্মুক্ত করছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করেন যে, কার্যালয়টি এর আগে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন থেকে সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা বসবেন বলে জানানো হলেও আপাতত আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে না বলে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।

বক্তব্যে বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান বলেন, “এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই আমার মূল লক্ষ্য। দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমাদের বিজয় হয়েছে, তাই কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।” তিনি আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন যে, তারা স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে নির্ভয়ে থাকবেন এবং কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তবে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির অভ্যন্তরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম কাচ্চু স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই পদক্ষেপের পেছনে জেলা বা কেন্দ্রীয় বিএনপির কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি উপজেলা সভাপতির একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে। পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডকে অবহিত করা হবে বলেও তিনি গণমাধ্যমকে জানান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বৈরিতা কাটিয়ে এমন ‘সহাবস্থানের রাজনীতি’র উদাহরণ ইতিবাচক হলেও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমন কাজ অস্বস্তি বাড়িয়েছে বিএনপি শিবিরে। বিশেষ করে জামায়াত বনাম আওয়ামী লীগের স্থানীয় বিরোধের মধ্যে বিএনপির এই মধ্যস্থতা আগামী দিনের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন কোনো মেরুকরণ তৈরি করে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আরও পড়ুন