০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২২:৪৭

শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২
শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

মেহেরপুর আদালতে পাথর নিক্ষেপ, আটক ১

মেহেরপুর আদালতে পাথর নিক্ষেপ, আটক ১

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৩:৪৪

মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাসে বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শরীফকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। এদিকে আদালত চত্বরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। 

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাসে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিচার চলাকালে হঠাৎ বিকট শব্দে জানালার কাচ ভেঙে একটি পাথর এজলাস কক্ষের ভেতরে এসে পড়ে। এতে এজলাসে উপস্থিত সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং বিচারিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই আদালতের বারান্দায় দায়িত্বরত কোর্ট পুলিশের সদস্যরা দ্রুত তৎপরতা দেখান। এ সময় অভিযুক্ত শরীফকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

তিনি মেহেরপুর শহরের নতুন শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত রেজাউল করিমের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিকে আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিচারকের সামনে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। যোগাযোগ করতে না পেরে এবং আদালতে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এজলাস লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন।

বিচারকের সামনে দেওয়া বক্তব্যে অভিযুক্ত আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং রাষ্ট্র সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। একপর্যায়ে তিনি বলেন, আমি মরলে শহীদ হব। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে অসংলগ্ন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিতে থাকেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বিচারকের নির্দেশে অভিযুক্তকে আদালতের হাজতখানায় পাঠানো হয়। পরবর্তীতে দেহ তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি খাতা ও একাধিক কাগজ উদ্ধার করা হয়। এসব কাগজে রাজনৈতিক বক্তব্যসংবলিত উসকানিমূলক ও অস্পষ্ট লেখা পাওয়া গেছে। পুলিশ এসব আলামত জব্দ করেছে। এজলাস কক্ষের ভেতর থেকে নিক্ষিপ্ত পাথরটিও উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাসুদ রানা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করে মেহেরপুর সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের এজলাসে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে। অভিযুক্তের বক্তব্যের পাশাপাশি তার মানসিক অবস্থাও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যতে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আরও পড়ুন