০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৩২

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৬:১১

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ, ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতের সংস্কার, চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন এবং পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা বলেন, "বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নিতে ড. ইউনূস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দেশের ইতিহাসের এক সংকটপূর্ণ সময়ে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতে শক্তিশালী সংস্কার এখন সময়ের দাবি। এগুলো টেকসই উন্নয়ন ও উচ্চ প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তুলবে।"

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চান। তিনি বলেন, "চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও চাবিকাঠি। এটি সংস্কার করা গেলে কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল ও ভুটান এই বন্দর ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারবে।"

আরও পড়ুন