০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৩:৩১

শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী
শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী

কোয়ালিটি এডুকেশন ফিরিয়ে আনতে চান শিক্ষামন্ত্রী

কোয়ালিটি এডুকেশন ফিরিয়ে আনতে চান শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:০১

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশে মানসম্মত শিক্ষা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষার সময় কী করে, তা তিনি জানেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের একটি হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের মাইক্রোফোন দিলেই দাবি-দাওয়া শুরু হয়ে যায়। যেখানেই যাই, শুধু দাবি-দাওয়া আর হৈচৈ দেখি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষকদের আর জলকামানের মুখে পড়তে হবে না।’

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার হলো শিক্ষাকে মানসম্মত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বগুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল বগুড়াকে শিক্ষা নগরী করা। সেই সময়ে আমরা অনেক কাজ করেছি।’

মন্ত্রী জানান, ধীরে ধীরে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যাহ্নভোজ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, জাতীয় আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের ঘোষণা থাকলেও সেই অর্থ কার্যকরভাবে ব্যয়ের বিষয়টি এখনো চ্যালেঞ্জ।

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে তিনি অবগত, তবে শুধু দাবি নয়, বাস্তব উন্নয়নের দিকেও নজর দিতে হবে।

শিক্ষাবর্ষ ও পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতে ভর্তি হলেও পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বছরের বড় একটি অংশ নষ্ট হচ্ছে। এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নজরদারি ব্যবস্থা চালুর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা গেলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম সহজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। তবে সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে এ বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন