০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৩:২৭

শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী
শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী

গভর্নর নিয়োগে উদ্বেগ জানালেন তাসনিম জারা

গভর্নর নিয়োগে উদ্বেগ জানালেন তাসনিম জারা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:০৯

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে একজন সক্রিয় ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক তাসনিম জারা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নজর রাখার আহ্বান জানান।

পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের ভূমিকা মৌলিকভাবে ভিন্ন। সচিব সরকারের নীতি বাস্তবায়ন করেন, তাই সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে তার পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়। তবে গভর্নরের দায়িত্ব হলো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং প্রয়োজনে সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়া।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গভর্নরের নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে গভর্নর পরিবর্তন সচিবালয়ের রদবদলের মতো বিষয় নয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে একজন সক্রিয় ব্যবসায়ীকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেন তাসনিম জারা। তিনি পাঁচটি বিষয়ে জনসচেতন দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন।

১. গভর্নর কি সরকারের সঙ্গে একমত না হলে সেটা বলতে পারছেন? নাকি প্রতিটি সিদ্ধান্ত সরকারের সুরে সুর মিলিয়ে আসছে?
২. নতুন গভর্নর কি তাঁর সব ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা সত্যিকার অর্থেই ত্যাগ করেছেন? নাকি নিয়োগপত্রের শর্ত শুধু কাগজে থাকবে?
৩. ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের সমস্যা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ক্ষত। নতুন গভর্নর কি এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হচ্ছেন?
৪. সুদের হার, মুদ্রা সরবরাহ, এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কি আগের নীতি অব্যাহত থাকছে, নাকি হঠাৎ পরিবর্তন আসছে? যদি পরিবর্তন আসে, তাহলে সেটা কাকে সুবিধা দিচ্ছে?
৫. টাকার মান কি বাজারভিত্তিক থাকছে, নাকি অতীতের সরকারের মতো কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে?

আরও পড়ুন