২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ০৩:৪২

শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী
শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ইরানে হামলার পথে জার্মানি

ইরানে হামলার পথে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৬, ২২:০৩

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে জার্মানি। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেহরানের হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে সমন্বয় করে সরাসরি অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বার্লিন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওর এক প্রতিবেদনে জার্মান সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে বার্লিন সম্ভাব্য অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে বিমান হামলায় সীমিত অংশগ্রহণ, সামরিক লজিস্টিক সহায়তা এবং আকাশপথে ইন্টেলিজেন্স সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ইরানের পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর।

জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দেশটির পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির একাধিক সদস্য নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও বার্লিনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনো তারা কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং সামরিক পদক্ষেপ হবে তাদের জন্য ‘শেষ বিকল্প’।

এর আগে, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জার্মানি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের এবং মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায়, বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পশ্চিমা শক্তিগুলো যেকোনো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন