০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৪২

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

এক বিয়ের দুই কাবিন করিয়ে শ্রীঘরে কাজী

এক বিয়ের দুই কাবিন করিয়ে শ্রীঘরে কাজী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২২:৩৭

নীলফামারী সদর উপজেলায় একটি বিয়ের বিপরীতে দুটি ভিন্ন কাবিননামা সরবরাহ করে জালিয়াতির অভিযোগে আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ নামে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী এই আদেশ দেন। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ সদর উপজেলার ১০ নম্বর কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের ছাইদুল ইসলামের মেয়ে মেরি আক্তারের বিয়ে হয়। ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে সম্পন্ন হলেও দাম্পত্য জীবনে তাঁদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে স্বামী রমজান আলী তাঁর স্ত্রী মেরির কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি করা টাকা দিতে না পারায় মেরির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হলে তিনি কিশোরগঞ্জ আমলি আদালতে মামলা করেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমের সময় বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষই আদালতে কাবিননামা দাখিল করেন। তবে একই বিয়ের বিপরীতে দুটি ভিন্ন কাবিননামা জমা পড়ায় আদালতের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে পর্যালোচনা শেষে কাজী আব্দুল মজিদের সরবরাহ করা কাবিননামা ভিন্ন ও ত্রুটিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়। 

জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় আদালত কাজীকে তাৎক্ষণিক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন। তিনি বলেন, একই বিয়ের বিপরীতে দুই ধরনের কাবিননামা দিয়ে কাজী আইন লঙ্ঘন করেছেন। বিষয়টি জালিয়াতি মনে হওয়ায় বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন