০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭:০২

শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু
শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু

অনিয়মকে বৈধতা দেবেন না: সড়ক পরিবহন মন্ত্রীকে তাসনিম জারা

অনিয়মকে বৈধতা দেবেন না: সড়ক পরিবহন মন্ত্রীকে তাসনিম জারা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১:৪১

সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী যেটিকে সমঝোতা বলছেন, তা বাস্তবে সাধারণ চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি সুপরিকল্পিত পদ্ধতি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। ডা. তাসনিম জারা বলেন, “কোনো চালক যখন নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে যান, তখন তাকে নির্দিষ্ট সংস্থাকে টাকা দিতেই হয়। একে ‘সমঝোতার’ মোড়ক দেওয়া মানে হলো একটি অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে। বাসভাড়া বৃদ্ধি এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হলো সড়কের এই অলিখিত চাঁদা। শেষ পর্যন্ত এই অর্থের দায়ভার সাধারণ যাত্রী ও ভোক্তাদেরই বহন করতে হয়।

মন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মন্ত্রী নিজেই বলেছেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে।’ তাহলে কি আমরা ধরে নেব, এই অর্থ আদায় প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার একটি মাধ্যম?”

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তিনি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন:
১. রাস্তায় সরাসরি টাকা তোলা বন্ধ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফি-র সাথে যুক্ত করে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে কল্যাণ তহবিল সংগ্রহ করা হোক।
২. সংগৃহীত কোটি কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ অডিট নিশ্চিত করা এবং সেই অর্থ কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে তা প্রকাশ করা।

পরিশেষে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে হতাশ করবেন না। সরকারের মূল দায়িত্ব হলো সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা, অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া নয়।

আরও পড়ুন