০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:২৩

শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন

বৈশাখের আগে ইলিশের দামে আগুন

বৈশাখের আগে ইলিশের দামে আগুন

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৭

পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি নতুন করে ভোগান্তি বাড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে ইলিশের বাজারে। চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ কম থাকায় মাত্র এক সপ্তাহেই কেজিপ্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এই মাছের দাম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় আকারের (১.২ থেকে ১.৫ কেজি) ইলিশ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩১০০ থেকে ৩৫০০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম উঠেছে ২২০০-২৪০০ টাকা। এমনকি ছোট আকারের ইলিশও ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকার নিচে মিলছে না।

বাজার-সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীতে মাছ ধরা কমে যাওয়ায় সরবরাহ সংকুচিত হয়েছে। এর সঙ্গে বৈশাখের ঐতিহ্য ঘিরে বাড়তি চাহিদা যোগ হওয়ায় দাম আরও বেড়েছে। ফলে অনেক ক্রেতাই বাধ্য হয়ে বিকল্প মাছের দিকে ঝুঁকছেন, তবে সেখানেও স্বস্তি নেই।

রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকায়, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকায়। চিংড়ির দাম ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি। এ ছাড়া কই, শিং, শোল, সুরমা ও পাবদা মাছের দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।

মুরগির বাজারেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হলেও সোনালি মুরগির দাম এখনো ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকার মধ্যে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামও বেড়েছে। বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাকরোলের দাম সবচেয়ে বেশি, ১২০ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। আলু তুলনামূলক কমদামে ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হলেও পেঁয়াজ ৩০-৩৫ এবং কাঁচামরিচ ১০০-১২০ টাকায় পৌঁছেছে।

চালের বাজারেও দামের ভিন্নতা রয়েছে। মিনিকেট চালের দাম ৭০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। ডালের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে—চিকন মসুর ১৬০-১৭০, বড় মুগ ১৪০ এবং মাষকলাই ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বৈশাখের উৎসব ঘিরে বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইলিশের উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় উৎসবের প্রস্তুতিতে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
 

আরও পড়ুন