০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০১:৫৮

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

‘মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবগুলো ঘাঁটিই ধ্বংস করেছে ইরান’

‘মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবগুলো ঘাঁটিই ধ্বংস করেছে ইরান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১৯:০৭

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটির সবগুলো ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এই সাফল্যের দাবিদার বলে মন্তব্য করেছেন ইরানি বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র। ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক সাক্ষাৎকারে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেখারচি বলেন, ‘পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ১৭টি ঘাঁটি স্থাপন করেছিল এবং ১৭টি ঘাঁটিই এখন পর্যন্ত ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী ধ্বংস করে দিয়েছে। আমেরিকানরা তাদের ঘাঁটি ও সেনাবাহিনী রক্ষা করতে পারেনি।’

২০২৫ সালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে শেখারচি বলেন, ওই যুদ্ধের পর ইরান তার প্রতিরক্ষামূলক নীতিকে আক্রমণাত্মক নীতিতে পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, ‘গত ৪৭ বছরে ইরান কোনও দেশকে আক্রমণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও অন্য দেশে আগ্রাসন চালাবে না। ইরানের আক্রমণাত্মক নীতির অর্থ হলো, যদি কোনও দেশ আমাদের ওপর হামলা চালায়, আমরা পাল্টা আঘাত করব যতক্ষণ না তা ধ্বংস হয় এবং আমরা তাদের ছেড়ে দেব না।’

হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর এই মুখপাত্র বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির অবস্থা আর আগের মতো হবে না। যুদ্ধ শেষ হলেও আমরা কিছু শর্ত নির্ধারণ করেছি। দেশগুলোকে আমাদের শর্ত সম্পূর্ণভাবে মেনে চলতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা দেয়ার মিথ্যা দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম বিক্রি করেছে। ওই দেশগুলোর অর্থায়নে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।


শেখারচি বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা প্রতিদিনই আরও শক্তিশালী হচ্ছে। আমরা আমাদের সামরিক ব্যবস্থা ক্রমাগত উন্নত করছি, যাতে যেকোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়।’ তিনি আঞ্চলিক মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করুন।’

আরও পড়ুন