২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০:১৩

শিরোনাম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ
শিরোনাম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ

চাকরি পরিবর্তনে এনওসি বাধ্যতাকরণের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করল অ্যাটকো

চাকরি পরিবর্তনে এনওসি বাধ্যতাকরণের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করল অ্যাটকো

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬, ১৮:৩৬

টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে কর্মরত সংবাদকর্মী ও প্রযুক্তিবিদদের চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তি পত্র (এনওসি) নেওয়া বাধ্যতামূলক করে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারির পর, তীব্র সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)। মাত্র একদিনের ব্যবধানে দেওয়া সংগঠনের দুটি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ও পৃথক বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে দেশের গণমাধ্যম ও সম্প্রচার অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় ও নানামুখী আলোচনা তৈরি হয়েছে।

গতকালের পরশু অর্থাৎ রবিবার (১৭ মে) অ্যাটকোর দাপ্তরিক প্যাডে প্রকাশিত প্রথম জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, কোনো গণমাধ্যমকর্মী চাকরিকালীন অবস্থায় অথবা বর্তমান চাকরি ছাড়ার পর যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি পত্র (এনওসি) গ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো প্রতিযোগী টেলিভিশন প্রতিষ্ঠানে নতুন করে চাকরি গ্রহণ করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুযায়ী অন্য কোনো নতুন টেলিভিশন চ্যানেলে যোগদানের আগে বর্তমান কর্মস্থল অথবা সর্বশেষ কর্মস্থল থেকে অনাপত্তি পত্র নেওয়া আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পূর্বে অবশ্যই বর্তমান কোম্পানি থেকে আনুষ্ঠানিক অনাপত্তি পত্র বা রিলিজ লেটার (ছাড়পত্র) গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মী প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও নিয়ম ভঙ্গ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোম্পানি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাটকোর অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্য চ্যানেলের মালিক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এতে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছিলেন অ্যাটকোর সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী।

তবে এই কড়া নির্দেশনা জারির ঠিক একদিন পর আজ সোমবার (১৮ মে) অ্যাটকো নতুন আরেকটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাদের পূর্বের সেই বিতর্কিত নির্দেশনাটি সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার সংক্রান্ত নতুন সেই বিজ্ঞপ্তিতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলা হয়, “গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে অ্যাটকোর পক্ষ থেকে ভুলবশত যেই অনাপত্তি পত্র বিষয়ক জরুরি বিজ্ঞপ্তি (স্মারক নং: অ্যাটকো/অনাপত্তি পত্র/০৩/২৬) বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হলো।”

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই অনাপত্তি পত্রের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যম অঙ্গনে যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা, ভুল বোঝাবুঝি বা পেশাগত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আজকের জারি করা এই দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিতেও প্রথা অনুযায়ী অ্যাটকোর সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং সভাপতি অঞ্জন চৌধুরীর যৌথ স্বাক্ষর রয়েছে।

উল্লেখ্য, গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরি পরিবর্তনের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মৌলিক অধিকারের বিষয়ে হঠাৎ এমন কড়া বিজ্ঞপ্তি জারি করা এবং পরদিনই তা চাপের মুখে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘটনায় মিডিয়া পাড়ায় নানা প্রশ্ন ও গভীর কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দেশের সম্প্রচার শিল্পে কর্মরত কর্মীদের পেশাগত স্বাধীনতা, অবাধে চাকরি পরিবর্তন এবং প্রতিষ্ঠানের একতরফা নীতিমালার আইনি ভিত্তি নিয়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

আরও পড়ুন