০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৬

শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুড়িগ্রামে পানিতে নিমজ্জিত ১২২৭ হেক্টর ফসলি জমি

কুড়িগ্রামে পানিতে নিমজ্জিত ১২২৭ হেক্টর ফসলি জমি

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:০৮

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নদীর দুই তীরের নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত থাকলেও দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকার রোপা আমন, শাক-সবজি, মাসকলাইসহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি, জেলার বিভিন্ন খাল, ডোবা ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যা কৃষি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে কুড়িগ্রামে মোট ১২২৭ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯৮৭ হেক্টর রোপা আমন, ১৯১ হেক্টর শাক-সবজি এবং ৪৯ হেক্টর মাসকলাই। যদি বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তবে এই বছর ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রবল, যা কৃষকদের জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হবে।

উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার সাহা জানিয়েছেন, বজরা ও থেতরাই ইউনিয়নের কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি উঠতে শুরু করেছে। তিনি দ্রুত ত্রাণ কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে সাহায্য কার্যক্রম শুরু করেছেন এবং নিজেও শিগগিরই সেখানে যাবেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার, চাল এবং নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে। তাই আপাতত খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সংকট নেই।

আরও পড়ুন