০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০২:৩৫

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

হাদি হত্যার তিন আসামি ফের ১৪ দিনের রিমান্ডে

হাদি হত্যার তিন আসামি ফের ১৪ দিনের রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:৩৪

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন এবং তাদের দেশ ছাড়তে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকে ফের ১৪ দিনের জেল রিমান্ডের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতার আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পূর্ববর্তী ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের কলকাতার বিধাননগর মহকুমা আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির করা হলে বিচারক এই আদেশ দেন।

কলকাতায় চলমান অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলার বিপরীতে এদিন স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেশ করে। তবে মূল দুই অভিযুক্ত দিল্লিতে পৃথক ইউএপিএ মামলায় ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র হেফাজতে থাকায় কাউকেই এদিন আদালতে সশরীরে হাজির করা হয়নি। ফিলিপ সাংমাকে দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে এবং ফয়সাল ও আলমগীরকে দিল্লির এনআইএ হেফাজত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে সংযুক্ত করা হয়।

শুনানি শেষে বিচারক আগামী ১৬ এপ্রিল এই তিন আসামির পরবর্তী হাজিরার তারিখ নির্ধারণ করেছেন। গত ২২ মার্চ ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালতের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে গত ২৩ মার্চ এনআইএ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দিল্লিতে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা সেখানেই এনআইএ-র কঠোর নজরদারিতে রয়েছেন।

আরও পড়ুন