০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০২:১৮

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, বাবা গ্রেপ্তার

মেয়েকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এরপর গর্ভপাত, বাবা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫:২১

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিজের কিশোরী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানো হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বাবা মো. ইউসুফকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এর আগে ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওষুধ খাইয়ে কিশোরীর গর্ভপাত ঘটানোর পর সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ৩ এপ্রিল ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

ওই দিন দুপুরে ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, ইউসুফ তার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ৪ মাস ধরে ধর্ষণ করেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানির ভয়ে অভিযুক্ত তার অপরাধ গোপনের উদ্দেশ্যে মেয়েকে জোরপূর্বক ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। তারপরও বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ভোলার দৌলতখান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের নানা আলামত ও গর্ভপাত ঘটানো শিশুটির মরদেহ বাড়ির আঙিনা থেকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইউসুফ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। ভোলা জেলা পুলিশ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তার পাশে রয়েছে।

এসময় ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.ইব্রাহিম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেনসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।
 

আরও পড়ুন