০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০৩:০১

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

মতিঝিল আইডিয়ালের উপসহকারী ও তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ জব্দ

মতিঝিল আইডিয়ালের উপসহকারী ও তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ জব্দ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ১৩:১৮

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খান ও তার স্ত্রী নাহিদা ইসলাম নিপার নামে থাকা বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত–এর বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের করা পৃথক দুটি আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, আতিকুর রহমান খানের নামে থাকা বনশ্রী ও রামপুরা এলাকার দুটি ফ্ল্যাট ও জমি, পাশাপাশি গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবস্থিত প্রায় ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাহিদা ইসলাম নিপার নামে বাড্ডা এলাকায় থাকা ছয়তলা একটি বাড়ি ও প্রায় সাড়ে তিন কাঠা জমিও জব্দের আওতায় আনা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মানসী বিশ্বাস আদালতে করা আবেদনে উল্লেখ করেন, আতিকুর রহমান তার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করে নিজের বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১ হাজার ১৩৫ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও নিজের দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া তদন্তে উঠে এসেছে, তার নামে থাকা ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অর্থের প্রকৃত উৎস ও অবস্থান গোপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্ত চলাকালে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। এ কারণে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তার এবং তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি জব্দ করা প্রয়োজন বলে দুদক আদালতকে জানায়।
 

আরও পড়ুন