০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬:৩৪

শিরোনাম
প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

সালথায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবকের কারাদণ্ড

সালথায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবকের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:১৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এ রায় প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক দবির উদ্দিন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কানাইড় গ্রামের হালিম শেখের ছেলে রাজীব শেখ, কসবা গট্টি গ্রামের বিল্লাল শেখের ছেলে জিলাল শেখ এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার ধুতরাহাটি গ্রামের তৈয়বুর শেখের ছেলে তুহিন শেখ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সোমবার সকালে গট্টি এলাকার একটি কলা বাগানের ভেতরে বসে ওই তিন যুবক মাদক সেবন করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনওর নেতৃত্বে একটি দল সেখানে অভিযান চালায় এবং তাদের আটক করে।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রাজীব শেখ ও জিলাল শেখকে এক মাস করে এবং তুহিন শেখকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে সালথা থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন