০৬ জুন ২০২৬, শনিবার, ২০:০৬

শিরোনাম
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল পে-স্কেল বাস্তবায়নে নতুন আলটিমেটাম দিলেন চাকরিজীবীরা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সীমান্তে ভারতের পুশ ইনের সব অপচেষ্টা প্রতিহত করার দাবি বিজিবির শিশু মৃত্যু তদন্তে অবহেলার প্রমাণ, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তিন দিনের সফরে আগামীকাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
শিরোনাম
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল পে-স্কেল বাস্তবায়নে নতুন আলটিমেটাম দিলেন চাকরিজীবীরা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সীমান্তে ভারতের পুশ ইনের সব অপচেষ্টা প্রতিহত করার দাবি বিজিবির শিশু মৃত্যু তদন্তে অবহেলার প্রমাণ, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তিন দিনের সফরে আগামীকাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

আন্তর্জাতিক

প্রকাশিত: ০৬ জুন, ২০২৬, ১৭:৩২

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত কয়েকটি অভিবাসন নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেছেন। এর ফলে রাজনৈতিক আশ্রয়, ওয়ার্ক পারমিট, গ্রিন কার্ড এবং নাগরিকত্বের আবেদন ঝুলে থাকা হাজার হাজার অভিবাসীর জন্য নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) প্রভিডেন্স-এ এ রায় দেন প্রধান মার্কিন জেলা বিচারক জন ম্যাককনেল।

রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস-এর গৃহীত নীতিগুলো এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের অনির্দিষ্টকালের আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।

বিচারক ম্যাককনেল বলেন, কংগ্রেস নির্ধারিত আইন অনুযায়ী আবেদন করা সত্ত্বেও বহু আবেদনকারীর অভিবাসন সংক্রান্ত ফাইল মাসের পর মাস নিষ্পত্তি করা হয়নি। কোনো বৈধ আইনগত ভিত্তি ছাড়াই এসব নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক আইন ও অভিবাসন আইনের পরিপন্থী।

রায়ে আরও বলা হয়, আবেদনকারীদের কোনো ব্যক্তিগত ত্রুটি ছিল না; বরং তারা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, শুধুমাত্র সেই কারণেই বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

চলতি বছরের মার্চে কয়েকটি অভিবাসী অধিকার সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলার বাদীপক্ষের প্রতিনিধিত্বকারী Democracy Forward-এর প্রধান স্কাই পেরিমান আদালতের রায়কে আইনের শাসনের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কোনো বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া বন্ধ করতে পারে না এবং মানুষের জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করারও সুযোগ নেই।

জানা গেছে, ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার একটি ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নেয়। পরে আফগানিস্তান, ইরান, হাইতি, সোমালিয়া, ভেনেজুয়েলা ও সিরিয়াসহ মোট ৩৯টি দেশের নাগরিকদের ওপর পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসন সুবিধা সংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াও স্থগিত করে ইউএসসিআইএস।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, এই সিদ্ধান্ত লাখো মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অভিবাসন আইন ও প্রশাসনিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, আইনের শাসন সবার জন্য সমান এবং সরকারি সংস্থাগুলোকেও সেই নীতি মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুন