০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:০৪

শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি
শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি

ব্যাংকের এমডি-চেয়ারম্যানদের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাধ্যতামূলক

ব্যাংকের এমডি-চেয়ারম্যানদের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাধ্যতামূলক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২২:১০

ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা, সুশাসন, ঋণ শৃঙ্খলা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডি ও পরিচালকদের জন্য নতুন একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে দুর্নীতি, ঘুস, অর্থপাচার ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে লিখিত অঙ্গীকারনামায় তাদের স্বাক্ষর করতে হবে।

সম্প্রতি বিএফআইইউ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনায় অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর ও ঘোষণাপত্র প্রদান এবং তা অফিসকক্ষে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে। অঙ্গীকারের একটি নির্দিষ্ট ফরমেটও ঠিক করে দিয়েছে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউ জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে করপোরেট গভর্ন্যান্স, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকরী সক্ষমতার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। বিশেষ করে বেশ কিছু বছর ধরে ব্যাপক পরিমাণে ঋণ জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং খাতে নৈতিক মানদণ্ড, জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের দুর্নীতি ও ঘুষবিরোধী অবস্থান অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করবেন। এ ছাড়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা মানি লন্ডারিং ও এলসি জালিয়াতি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবেন এবং তা নিজ নিজ অফিসকক্ষে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করবেন।

নির্দেশনায় জানানো হয়, পরে ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যেকবার চেয়ারম্যান, পরিচালক বা এমডি নিয়োগ কিংবা পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রেও একইভাবে এ অঙ্গীকার ও ঘোষণা প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংকিং সেবা পেতে কোনো গ্রাহক যদি ঘুষ, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হন তাহলে তিনি সরাসরি বিএফআইইউ বরাবর অভিযোগ জানাতে পারবেন।

এমডি ও চেয়ারম্যানরা অঙ্গীকারনামা লিখতে হবে, ‘দুর্নীতি কিংবা ঘুষ করব না, মানব না, সইব না।’

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ঘুষ প্রদান ও গ্রহণ উভয় অপরাধ। ঘুষ নেওয়া মানে নিজের আত্মাকে বিক্রি করা এবং নীতিমালার বাইরে কোনো ঋণ অনুমোদন নয় এমন বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন