০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:৫৮

শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব
শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব

রাজধানীতে বসছে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা

রাজধানীতে বসছে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ১৫:০৩

রাজধানীর জননিরাপত্তা জোরদার এবং কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নজরদারি ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন করে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই রোধে ৭০০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ওই এলাকায় জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি বসিলায় একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে। আরও একটি ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও পেট্রোল ইন্সপেক্টর মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, বর্তমানে রাজধানীতে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ৭১০টি ক্যামেরা। গুলশান–বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির আওতায় রয়েছে আরও ১ হাজার ২০০টি ক্যামেরা।

তিনি আরও জানান, নতুন প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার ক্যামেরা কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনার তদন্ত সহজ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারির ফলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো সম্ভব হচ্ছে।

ডিএমপি বলছে, বড় ধরনের জনসমাগম ও জাতীয় দিবসগুলোতে অস্থায়ী ক্যামেরা ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্লক রেইড, নিয়মিত টহল ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

তাদের মতে, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ দমন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে যানজট নিয়ন্ত্রণেও সিসি ক্যামেরা প্রযুক্তি সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন