০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:০১

শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুয়ালালামপুরে ইমিগ্রেশন অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ১৯৯

কুয়ালালামপুরে ইমিগ্রেশন অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ১৯৯

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৮:০৯

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ১৯৬ জন বিদেশি অভিবাসী এবং তিনজন স্থানীয় নিয়োগকর্তাসহ মোট ১৯৯ জনকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। 

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কুয়ালালামপুরের চৌকিত এলাকার জালান সুলতান আজলান শাহ-তে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর ওয়ান মোহাম্মদ সওপি ওয়ান ইউসুফ। ‘কেএল স্ট্রাইক ফোর্স’-এর অধীনে পাঁচটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ১৭০ জন কর্মকর্তা এতে অংশ নেন।

আটককৃতদের মধ্যে পাকিস্তান ১৫০ জন,বাংলাদেশ ২১ জন,ভারত ১০ জন, ইন্দোনেশিয়া  ৬ জন,নেপাল ৪ জন,জর্ডান ২ জন,ফিলিপাইন ২ জন,শ্রীলঙ্কা ১ জন।

এছাড়া, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগের অভিযোগে তিনজন মালয়েশিয়ান নারী নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়।

ওয়ান মোহাম্মদ সওপি জানান, অভিযানকালে ৪৫টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয় এবং অনেক প্রতিষ্ঠানেই অবৈধ বিদেশি শ্রমিক পাওয়া গেছে। অনেক নিয়োগকর্তা বৈধ শ্রমিকদের আড়ালে অবৈধ অভিবাসীদের কাজে লাগাচ্ছিলেন।

অভিযান চলাকালে অনেক অবৈধ অভিবাসী ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচতে পালানোর চেষ্টা, অসুস্থতার ভান, কিংবা কান্নাকাটি করে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানানো হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা জানান, অভিযানে আটকরা যদি আগে থেকেই ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে নিজ দেশে ফিরে যেত, তবে তাদের আইনি ব্যবস্থা এড়ানো যেত। এখন তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী মামলা হবে।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে: বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান,ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান,ভিজিট পাসের অপব্যবহার।

নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও অবৈধ নিয়োগ ও আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে তদন্ত চলছে। অবৈধ আয়ের প্রমাণ মিললে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায়ও ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

অভিযানে অংশ নেয়: ইমিগ্রেশন বিভাগ (কুয়ালালামপুর, পুত্রজায়া, সেলাঙ্গর, নেগেরি সেম্বিলান),রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ ,(PDRM),কুয়ালালামপুর সিটি হল (DBKL)।

আরও পড়ুন