০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:০৬

শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন

বঙ্গোপসাগরে ২০ জেলে অপহরণ, ৫০ লাখ টাকা দাবি

বঙ্গোপসাগরে ২০ জেলে অপহরণ, ৫০ লাখ টাকা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:০৯

তিন দিনের ব্যবধানে বঙ্গোপসাগরের পৃথক স্থান থেকে দুবলার শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আরও ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে দুবলার চরের নারিকেলবাড়িয়া ও আমবাড়িয়ার খাড়িসংলগ্ন সাগরে মাছ ধরার সময় তারা অপহরণের শিকার হন।

বনবিভাগ জানিয়েছে, অপহৃত জেলেরা পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের আলোরকোল ও নারকেলবাড়িয়া শুঁটকি পল্লীর বাসিন্দা। তাদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও সাতক্ষীরার আশাশুনি এলাকায়। এর আগে গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে আরও ছয় জেলেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল দস্যু করিম শরীফ বাহিনী। চার দিন পার হলেও এখনো তাদের মুক্তি মেলেনি।

পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে জলদস্যু সুমন ও জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা ২০টি ট্রলারে হানা দেয়। তারা ট্রলারপ্রতি একজন করে মোট ২০ জেলেকে তুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় দস্যুরা তাদের মোবাইল নম্বর দিয়ে গেছে এবং আগের অপহৃত ছয় জেলের বিনিময়ে শেলারচর শুঁটকি পল্লীর ৫০টি ঘর থেকে মোট ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। টাকা না দিলে জিম্মিদের ছাড়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

দুবলা ফিশারমেন গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বনদস্যুদের বেপরোয়া তৎপরতায় জেলেরা সাগরে যেতে ভয় পাচ্ছেন। দস্যুদের চাঁদা আর মুক্তিপণের টাকা দিতে দিতে অনেক ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দ্রুত কঠোর অভিযান না চালালে শুঁটকি মৌসুমে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে।’

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলেদের নিরাপত্তায় বনরক্ষীদের টহল জোরদার করা হয়েছে। অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন