০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৩

শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর ‘কম্বিং অপারেশন’

সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর ‘কম্বিং অপারেশন’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১:১২

সুন্দরবনে বনদস্যুদের তাণ্ডব, অপহরণ ও মারধরের ঘটনায় উপকূলীয় জেলেদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৫০ জন জেলে অপহৃত হওয়ার জেরে প্রাণভয়ে সাগর ও নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন প্রায় ২০ হাজার মৎস্যজীবী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যু দমনে সুন্দরবনজুড়ে ‘কম্বিং অপারেশন’ শুরু করেছে যৌথ বাহিনী।

আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়।

কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় মৎস্যজীবী সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ জেলেরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অপহরণের পর জেলেদের মারধর করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে এবং টাকা দিতে ব্যর্থ হলে চালানো হচ্ছে অমানবিক নির্যাতন। এই আতঙ্কে দুবলার চরসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকা বর্তমানে তীরে অলস পড়ে আছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার সকাল থেকে সুন্দরবনের দুবলা, হারবাড়িয়া, কোকিলমনি, নন্দবারা ও জোংড়াসহ বিভিন্ন দুর্গম খালে সমন্বিত অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এই অভিযানে র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। দিনভর বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হলেও সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো অপহৃত জেলেকে উদ্ধার কিংবা দস্যুকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, জিম্মিদের উদ্ধার ও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাগরে মাছ ধরার শেষ মৌসুমে দস্যু আতঙ্কে জেলেরা সাগরে না যাওয়ায় কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন