০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৮:৪৩

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

বিশ্বকাপের বলেই ধরা পড়বে সব গোপন স্পর্শ

বিশ্বকাপের বলেই ধরা পড়বে সব গোপন স্পর্শ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ০৯:৪৮

ফুটবল এখন আর শুধু মাঠের লড়াই নয়, প্রযুক্তিরও প্রতিযোগিতা। ২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন এক ‘স্মার্ট’ ম্যাচ বল আনছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা’ নামের এই বলে যুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক সেন্সর প্রযুক্তি, যা ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবে।

নতুন এই বল শুধু পাস বা শটের জন্য ব্যবহৃত হবে না, বরং এটি কাজ করবে এক ধরনের লাইভ ট্র্যাকিং সিস্টেম হিসেবেও। বলের গতি, ঘূর্ণন, অবস্থান এমনকি কোন খেলোয়াড় কখন বল স্পর্শ করেছেন সব তথ্য মুহূর্তেই শনাক্ত করা যাবে।

অ্যাডিডাস জানিয়েছে, বলটির ভেতরে বসানো হয়েছে ৫০০ হার্টজের মোশন সেন্সর চিপ। এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে খেলোয়াড়ের স্পর্শ, কিকের শক্তি কিংবা বলের গতিপথ অত্যন্ত নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

এই প্রযুক্তি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থাকেও আরও কার্যকর করবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ক্যামেরা ও বলের সেন্সর একসঙ্গে কাজ করে ম্যাচের ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করবে। এর মাধ্যমে অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দ্রুত ও আরও নিখুঁতভাবে নেওয়া সম্ভব হবে।

তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই বলে নতুন একটি বিষয়ও যুক্ত হয়েছে চার্জিং। ম্যাচ শুরুর আগে বলটি সম্পূর্ণ চার্জ দিতে হবে। কারণ এর ভেতরের সেন্সর ব্যাটারিচালিত। একবার চার্জ দিলে এটি প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকবে বলে জানা গেছে।

বলটির নকশাতেও রাখা হয়েছে ভিন্নতা। ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর পতাকার রঙ এতে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘ট্রিওন্ডা’ নামটিও এসেছে তিন দেশের প্রতীকী ধারণা থেকে।

FIFA মনে করছে, এই ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি ভবিষ্যতের ফুটবলে বড় পরিবর্তন আনবে। শুধু খেলার গতি নয়, রেফারিং ব্যবস্থাকেও আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও নির্ভুল করে তুলবে এটি।

১০৪ ম্যাচের ২০২৬ বিশ্বকাপে তাই ট্রিওন্ডা শুধু একটি বল নয়, বরং মাঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপাদান হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

আরও পড়ুন