০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:০০

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে পরিবার আর দেশকে বাঁচান প্রবাসীরা

নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে পরিবার আর দেশকে বাঁচান প্রবাসীরা

প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২৬, ১২:৫৭

প্রবাসীর জীবন মানেই শুধু টাকা পাঠানো নয়-এটা এক গভীর নিঃশব্দ আত্মত্যাগের গল্প। নিজের সুখ, স্বপ্ন আর আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে হাজারো প্রবাসী প্রতিদিন বেঁচে থাকেন একটাই উদ্দেশ্য নিয়ে-পরিবারকে ভালো রাখা, আর দেশের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়া।

বিদেশের অচেনা শহরে যখন নতুন এক দিন শুরু হয়, তখনও অনেক প্রবাসীর চোখে ভাসে গ্রামের মাটি, মায়ের মুখ, সন্তানের হাসি। যে মানুষটি নিজের ঘরের পাশে থাকার কথা ছিল, সেই মানুষটিই হাজার মাইল দূরে দাঁড়িয়ে লড়াই করেন জীবনের সঙ্গে। উৎসবের দিনগুলোতে যখন পরিবার একসাথে আনন্দ করে, তখন প্রবাসীর বুকের ভেতর জমে থাকে নিঃশব্দ একাকীত্ব।

তাদের প্রতিটি দিন কাটে কঠিন শ্রম, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা আর অনিশ্চয়তার মাঝে। তবুও তারা থেমে যান না। কারণ তাদের প্রতিটি ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের পেছনে থাকে গভীর এক ভালোবাসা-পরিবারকে স্বচ্ছল করা, সন্তানকে শিক্ষিত করা, আর দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স শুধু অর্থ নয়-এটা অনেক পরিবারের বেঁচে থাকার ভরসা, স্বপ্ন গড়ার শক্তি। কারও ঘরের ছাদ হয়েছে, কারও সন্তানের ভবিষ্যৎ তৈরি হয়েছে, আবার কারও সংসারে এসেছে একটু শান্তি-এই সবকিছুর পেছনে আছে প্রবাসীদের অবিরাম ত্যাগ।

কিন্তু এই ত্যাগ সবসময় নিরাপদ নয়। কঠিন পরিশ্রমের ফাঁকে ফাঁকে অনেক প্রবাসী দুর্ঘটনার শিকার হন, কেউ কেউ কাজের জায়গাতেই হারিয়ে যান চিরতরে। সেই প্রিয় মানুষটির পরিশ্রমের গল্প শেষ হয় একটি কফিনে ফিরে আসার মাধ্যমে। দেশে ফিরে আসে শুধু একটি নিথর দেহ-আর রেখে যায় ভেঙে যাওয়া একটি পরিবার, অশ্রুভেজা এক অপেক্ষা, আর অপূর্ণ এক জীবনগল্প।

তাদের জীবন সহজ নয়। কঠিন বাস্তবতা, দূরত্ব আর অনিশ্চয়তার মাঝে থেকেও তারা এগিয়ে যান শুধুমাত্র ভালোবাসার টানে। কারণ তাদের হৃদয়ে থাকে একটাই আশা-পরিবারকে সুখী করা, আর নিজের দেশকে আরও শক্তিশালী করা।

প্রবাসীরা সত্যিই নীরব নায়ক। যারা নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে পরিবার আর দেশকে বাঁচিয়ে রাখেন প্রতিদিন-আর কখনও কখনও নিজের জীবনও।

আরও পড়ুন