০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:০০

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন বাড়াতে যেসব খাবার উপকারী

প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন বাড়াতে যেসব খাবার উপকারী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬, ১০:২৯

ত্বকের তারুণ্য ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাজারে কোলাজেন সাপ্লিমেন্টের জনপ্রিয়তা বাড়লেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুখে খাওয়া কোলাজেন সরাসরি ত্বকে গিয়ে কাজ করে এমন দাবির পক্ষে এখনো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কারণ শরীরে প্রবেশের পর কোলাজেন অন্যান্য প্রোটিনের মতোই অ্যামিনো অ্যাসিডে ভেঙে যায়।

তবে খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার যোগ করলে শরীরের স্বাভাবিক কোলাজেন উৎপাদন বাড়তে পারে বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদেরা।

মুরগির মাংস

মুরগির শরীরে থাকা সংযোজক টিস্যু কোলাজেনের ভালো উৎস। বিশেষ করে রান ও উরুর মাংসে বুকের মাংসের তুলনায় বেশি কোলাজেন পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, মুরগির হাড় ও তরুণাস্থি থেকে পাওয়া কোলাজেন প্রদাহ ও জয়েন্ট–সংক্রান্ত কিছু সমস্যায় উপকারী হতে পারে।

মাছের মাথা ও চোখ

মাছের হাড়, লিগামেন্ট, মাথা ও চোখে কোলাজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক কোলাজেন তুলনামূলক সহজে শরীরে শোষিত হতে পারে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ডিমের সাদা অংশ

ডিমের সাদা অংশে প্রোলিন নামের অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, যা কোলাজেন তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

সাইট্রাস ফল

কমলা, লেবু, জাম্বুরা ও লাইমের মতো ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। এই ভিটামিন শরীরে প্রো-কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, যা কোলাজেন উৎপাদনের পূর্বধাপ।

বেরিজাতীয় ফল

স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি ও ব্ল্যাকবেরিতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান ত্বককে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

অন্যান্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল

আম, কিউই, আনারস ও পেয়ারাও কোলাজেন উৎপাদনে সহায়ক। পেয়ারায় জিঙ্কও থাকে, যা কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

রসুন

রসুনে থাকা সালফার শরীরে কোলাজেন উৎপাদন ও কোলাজেন ভাঙন কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হয়।

পাতাযুক্ত সবজি

পালং শাক, কেলে বা অন্যান্য সবুজ পাতাযুক্ত সবজিতে ক্লোরোফিল থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লোরোফিল ত্বকে কোলাজেনের পূর্বধাপের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান, ঘুম ও সূর্যের অতিরিক্ত ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখাও কোলাজেন ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন